১৮ বছর পর তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হলেন রোনালদো
রোববার নরওয়ের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে ৪১ বছর বয়সী রোনালদোকে একাদশে রাখেননি কোচ জর্জ জেসুস। ম্যাচের শেষ দিকে তাঁকে ওয়ার্মআপ করতেও দেখা যায়। মনে হচ্ছিল, কিছুক্ষণের জন্য হলেও মাঠে নামবেন পর্তুগালের অধিনায়ক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরো ম্যাচই বেঞ্চে কাটিয়েছেন তিনি। তাঁকে ছাড়া পর্তুগাল জিতেছে ২–১ গোলে। আর জয়সূচক গোলটি করেছেন তাঁরই জায়গায় খেলা গনসালো রামোস।
পর্তুগালের হয়ে কোনো অফিশিয়াল ম্যাচে রোনালদো পুরোটা সময় বেঞ্চে বসে ছিলেন সর্বশেষ ২০০৮ সালের ইউরোয়। ১৫ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটি ছিল আনুষ্ঠানিকতার। এর আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল পর্তুগাল। তৎকালীন কোচ লুইস ফেলিপে স্কলারি তাই তাই বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন সুইসদের বিপক্ষে। রোনালদোও ছিলেন বেঞ্চে। ম্যাচটি ২–০ গোলে জিতেছিল সুইজারল্যান্ড।
সে দিনের পর ম্যাচের স্কোয়াডে থেকেও পুরোটা সময় বেঞ্চে কাটিয়েছিলেন আর একবারই। ২০২৪ সালের ৮ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে। এটি ছিল ইউরো সামনে রেখে প্রীতি ম্যাচ। আগের দিনই সৌদি আরবের আল নাসর থেকে দলে যোগ দিয়েছিলেন রোনালদো। এটিও ছিল পর্তুগাল কোচের জন্য আসন্ন টুর্নামেন্ট কেন্দ্র করে পরীক্ষা–নিরীক্ষার।
ফলে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে পুরোটা সময় বেঞ্চে বসে থাকার অভিজ্ঞতা রোনালদোর হলে দীর্ঘ দেড় যুগ পর। নরওয়ের বিপক্ষে রোনালদোকে না খেলানোর পেছনে চোট বা শারীরিক কোনো সমস্যাও ছিল না। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ জেসুস নিজেই নিশ্চিত করেছেন সেটি। তাহলে কেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ীকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামাননি, ‘আমি তাঁর সঙ্গে এমন কথাও বলেছিলাম যে শেষ আধা ঘণ্টায় সে মাঠে নামবে। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতিতে সেটি আর প্রয়োজনীয় মনে হয়নি।’
পর্তুগালের পরের ম্যাচ ডেনমার্কের বিপক্ষে, ১ অক্টোবর।
What's Your Reaction?